চোখের আকৃতির শহর, সোমেশ্বরীর বালুচর — নেত্রকোণা
দর্শনীয় স্থান, ইতিহাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১০টি উপজেলার ৮৬টি ইউনিয়নের তালিকা, জরুরি সেবা ও সরকারি অফিসের ঠিকানা — নেত্রকোণা হেল্পলাইন কমিউনিটির উদ্যোগে সাজানো একটি তথ্যভাণ্ডার।
নেত্রকোণার ইতিহাস ও নামের উৎস
মহুয়া-মলুয়ার পালাগানের দেশ, কৃষক আন্দোলনের স্মৃতি বহনকারী এই জনপদের নামকরণ আর গঠনের পেছনে আছে দীর্ঘ এক ইতিহাস।
নামের উৎস: সংস্কৃত "নেত্র" (চোখ) ও "কোণ" (কোণা) শব্দ দুটি থেকে "নেত্রকোণা" নামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয় — মগড়া নদীর বাঁক শহরটিকে অনেকটা চোখের মতো আকৃতি দিয়েছিল বলেই এই নামকরণ। মধ্যযুগীয় ময়মনসিংহ গীতিকার (মহুয়া, মলুয়া পালার মতো লোককাব্যের সংকলন) মধ্যেও নেত্রকোণার উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই অঞ্চলের প্রাচীন সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাক্ষ্য বহন করে।
কৃষক আন্দোলনের ভূমি: ব্রিটিশ শাসনামলে এই অঞ্চল প্রত্যক্ষ করেছে কৃষক বিদ্রোহ, পাগলপন্থী বিদ্রোহ, টংক আন্দোলন ও তেভাগা আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৩৮ সালে রাশিমণি হাজংয়ের নেতৃত্বে শুরু হওয়া টংক আন্দোলন প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে এক উল্লেখযোগ্য আন্দোলন হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে; ১৯৪৬ সালে রাশিমণি প্রাণ হারান এই সংগ্রামে।
দুর্গাপুরের সাদামাটি: ভূতাত্ত্বিক জরিপে ১৯৫৭ সালে চিহ্নিত হওয়া বিজয়পুরের সাদামাটি (চিনামাটি) ১৯৬০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন শুরু হয়, আর ২০২১ সালে এটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্যের স্বীকৃতি পায়।
- ১৮৭৪নেত্রকোণা থানা গঠিত হয়
- ১৮৮০নেত্রকোণা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়
- ১৮৮৭নেত্রকোণা পৌরসভা স্থাপিত হয়
- ১৯৩৮–৪৬রাশিমণি হাজংয়ের নেতৃত্বে টংক আন্দোলন
- ১৯৪৯নেত্রকোণা সরকারি কলেজ (তৎকালীন নেত্রকোণা কলেজ) প্রতিষ্ঠিত হয়
- ১৯৮৪১৭ জানুয়ারি মহকুমা থেকে পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা লাভ
- ২০১৮নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে
- ২০২১বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পায়
নেত্রকোণার কৃতী সন্তান
নেত্রকোণার দর্শনীয় স্থানসমূহ
প্রকৃতি, ইতিহাস আর আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধনে গড়া কিছু জায়গা — ছবিগুলো উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে সংগৃহীত।
বিরিশিরি ও উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি
গারো, হাজং ও অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর জীবনধারা, পোশাক ও শিল্পকর্ম নিয়ে গড়া একাডেমি, সাবেক সুসং রাজবাড়ির জায়গায় প্রতিষ্ঠিত।
সোমেশ্বরী নদী ও বালুচর
মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির এই নদী আর তার বিস্তীর্ণ ধু-ধু বালুচর নেত্রকোণার সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্য।
বিজয়পুরের সাদামাটি (চিনামাটির) পাহাড়
সাদা-গোলাপি স্তরে সাজানো এই মাটির পাহাড় ২০২১ সালে জিআই স্বীকৃতি পাওয়া দেশের একমাত্র চিনামাটির খনি অঞ্চল।
কমলা রাণীর দিঘী
বিরিশিরি ইউনিয়ন পরিষদের কাছেই অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী এই দিঘী স্থানীয় ইতিহাস আর লোককথার সাক্ষী।
রানীখং মিশন গির্জা
১৯১০-১৫ সালের দিকে নির্মিত এই ক্যাথলিক গির্জা টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে সোমেশ্বরী উপত্যকার দৃশ্য চোখে পড়ে।
টংক শহীদ (রাশিমণি) স্মৃতিসৌধ
১৯৩৮-৪৬ সালের টংকবিরোধী কৃষক আন্দোলনে রাশিমণি হাজংসহ শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ — কৃষক সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে।
লেঙ্গুরা সীমান্ত ও ফুলবাড়ি গ্রাম
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা শান্ত এক গ্রাম, পাহাড়ি ঝরনা আর সবুজ টিলার নৈসর্গিক দৃশ্যে ঘেরা।
সাত শহীদের মাজার
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থান স্থানীয়দের কাছে শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
হযরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমী (রহ.)-এর মাজার
নেত্রকোণা শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি দক্ষিণে মদনপুরে অবস্থিত এই মাজার ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিয়মিত সমাগমস্থল।
রোয়াইলবাড়ীর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে এই স্থান ইতিহাসপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ডিঙ্গাপোতা হাওর
বর্ষায় সীমাহীন জলরাশি আর হেমন্তে সবুজ ফসলের মাঠ — নেত্রকোণার অন্যতম বড় হাওর, ঋতুভেদে রূপ বদলায়।
কংস ও মগড়া নদী
জেলার প্রাণ হিসেবে পরিচিত এই দুই নদী কৃষি, যোগাযোগ আর স্থানীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
১০টি উপজেলা ও ৮৬টি ইউনিয়ন
নিচের কার্ডে ক্লিক করে প্রতিটি উপজেলার ইউনিয়ন তালিকা দেখুন। যেসব উপজেলায় পৌরসভা আছে তা আলাদা করে চিহ্নিত।
নেত্রকোণা সদরজেলা সদর উপজেলা▾
- মৌগাতি
- মেদনী
- ঠাকুরাকোণা
- রৌহা
- চল্লিশা
- আমতলা
- কাইলাটি
- লক্ষীগঞ্জ
- দক্ষিণ বিশিউরা
- মদনপুর
- কালিয়ারা গাবরাগাতি
- সিংহের বাংলা
আটপাড়াউপজেলা▾
- বানিয়াজান
- শুনুই
- স্বরমুশিয়া
- সুখারী
- তেলিগাতি
- লুনেরশ্বর
- দোয়জ
বারহাট্টাউপজেলা▾
- বাউসী
- সাহতা
- বারহাট্টা
- আসমা
- চিরাম
- সিংধা
- রায়পুর
দুর্গাপুরউপজেলা▾
- কুল্লাগড়া
- দুর্গাপুর
- চন্ডিগড়
- বিরিশিরি
- বাকলজোরা
- কাকৈরগড়া
- গাঁওকান্দিয়া
কলমাকান্দাউপজেলা▾
- কলমাকান্দা
- নাজিরপুর
- লেঙ্গুরা
- রংছাতি
- কৈলাটি
- খারনৈ
- পোগলা
- বরখাপন
কেন্দুয়াউপজেলা▾
- আশুজিয়া
- দল্পা
- গড়াডোবা
- গন্ডা
- সান্দিকোণা
- মাসকা
- বলাইশিমূল
- নওপাড়া
- কান্দিউড়া
- চিরাং বাজার
- রোয়াইলবাড়ী
- পাইকুড়া
- মোজাফরপুর
মদনউপজেলা▾
- মদন
- গোবিন্দশ্রী
- তিয়শ্রী
- মাঘান
- ফতেপুর
- চানগাঁও
- নায়েকপুর
- কাইটাইল
মোহনগঞ্জউপজেলা▾
- বড়কাশিয়া বিরামপুর
- বড়তলী বানিয়াহারী
- তেতুলিয়া
- মাঘান সিয়াধার
- সমাজ সহিলদেও
- সুয়াইর
- গাগলাজুর
খালিয়াজুরীউপজেলা▾
- মেন্দিপুর
- চাকুয়া
- খালিয়াজুরী
- নগর
- কৃষ্ণপুর
- গাজীপুর
পূর্বধলাউপজেলা▾
- বৈরাটি
- জারিয়া
- আগিয়া
- বিশকাকুনি
- খলিশাউড়
- গোহালাকান্দা
- নারান্দিয়া
- হোগলা
- ঘাগড়া
- পূর্বধলা
- ধলামুলগাঁও
নেত্রকোণার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রতিটি উপজেলার একটি করে সরকারি কলেজের তথ্য — বিস্তারিত জানতে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে যান।
নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
৪টি অনুষদের অধীনে বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, উন্নয়ন অধ্যয়ন, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাকাউন্টিংসহ বিভিন্ন বিভাগ চালু আছে।
neu.ac.bdনেত্রকোণা মেডিকেল কলেজ
এমবিবিএস কোর্স পরিচালনাকারী সরকারি মেডিকেল কলেজ, যেখানে এনাটমি থেকে শুরু করে মেডিসিন, সার্জারি, গাইনী সহ সবগুলো ফেজের ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।
nmc.college.gov.bdনার্সিং ইনস্টিটিউট, সদর হাসপাতাল
নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অবস্থিত এই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্স পরিচালিত হয়।
dgnm.gov.bd| উপজেলা | উল্লেখযোগ্য কলেজ / প্রতিষ্ঠান |
|---|---|
| নেত্রকোণা সদর | নেত্রকোণা সরকারি কলেজ (১৯৪৯) · নেত্রকোণা সরকারি মহিলা কলেজ · নেত্রকোণা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৭) · নেত্রকোণা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ |
| আটপাড়া | তেলিগাতী ডিগ্রি কলেজ |
| বারহাট্টা | বারহাট্টা সরকারি কলেজ |
| দুর্গাপুর | সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় · দুর্গাপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় |
| কলমাকান্দা | কলমাকান্দা সরকারি কলেজ |
| কেন্দুয়া | কেন্দুয়া সরকারি কলেজ |
| মদন | সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ |
| মোহনগঞ্জ | মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজ |
| খালিয়াজুরী | সরকারি কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর কলেজ |
| পূর্বধলা | পূর্বধলা সরকারি কলেজ |
জরুরি সেবার নম্বর
বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী — সব নম্বরই সারা দেশ থেকে ব্যবহারযোগ্য।
জাতীয় জরুরি সেবা
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স — বিনামূল্যে, ২৪ ঘণ্টা।
ফায়ার সার্ভিস হটলাইন
নতুন সংক্ষিপ্ত নম্বর; পুরাতন ০২২২৩৩৫৫৫৫৫-ও সচল।
জাতীয় কল সেন্টার
সরকারি সেবা, তথ্য ও অভিযোগ; প্রবাসীদের জন্য ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩।
চাইল্ড হেল্পলাইন
শিশু নির্যাতন বা সহায়তা প্রয়োজনে বিনামূল্যে কল।
নারী নির্যাতন প্রতিরোধ হেল্পলাইন
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার।
দুদক হেল্পলাইন
দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ (সকাল ৯টা–বিকাল ৫টা)।
সুপ্রীম কোর্ট হেল্পলাইন
আইনি পরামর্শ ও আদালত সংক্রান্ত তথ্য।
জাতীয় আইনগত সহায়তা হেল্পলাইন
টোল ফ্রি বিনামূল্যে আইনি সেবা।
দুর্যোগ পূর্বাভাস (IVR)
ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও নদীবন্দর সতর্ক সংকেত।
বিটিআরসি অভিযোগ কেন্দ্র
টেলিযোগাযোগ সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ।
বিদ্যুৎ বিভাগ অভিযোগ কেন্দ্র
বিদ্যুৎ সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টা।
ভূমিসেবা হেল্পলাইন
ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর ও ভূমি পরামর্শ।
প্রতিটি থানা, উপজেলা ফায়ার স্টেশন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরাসরি নম্বর সময়ে সময়ে বদলাতে পারে। তাই উপরের জাতীয় হটলাইন নম্বরগুলোই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য — এগুলো কল করলেই আপনাকে নেত্রকোণার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সংযুক্ত করে দেওয়া হবে। সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন — জরুরি হটলাইন
অফিসিয়াল ডিরেক্টরি — সরাসরি লিংক
জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও অন্যান্য দপ্তরের হালনাগাদ ঠিকানা-ফোন নম্বর সরকারি ওয়েবসাইট থেকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
netrokona.gov.bd — সব দপ্তরের তালিকা ও যোগাযোগকর্মকর্তাবৃন্দ
জেলা প্রশাসন ও অধীনস্থ দপ্তরের কর্মকর্তাদের তালিকানেত্রকোণা সদর উপজেলা পোর্টাল
ইউনিয়ন পরিষদ, থানা, উপজেলা অফিসসমূহজেলা তথ্য অফিস
স্থানীয় প্রচার কার্যক্রম ও সরকারি বিজ্ঞপ্তিজেলা লিগ্যাল এইড অফিস
বিনামূল্যে আইনি সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যজেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
কর্মসংস্থান, প্রবাসী নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
সব ফায়ার স্টেশনের যোগাযোগ নম্বরউইকিপিডিয়া — নেত্রকোণা জেলা
ইতিহাস, ভূগোল ও সাধারণ তথ্যের বিস্তারিত উৎসনেত্রকোণা হেল্পলাইন
এই ওয়েবসাইটটি তৈরি ও পরিচালিত হচ্ছে নেত্রকোণা হেল্পলাইন ফেসবুক পেইজ কর্তৃক — যার শুরু একটি সাধারণ ফেসবুক গ্রুপ থেকে, নেত্রকোণা জেলার মানুষের একে অপরকে সহযোগিতা করার জায়গা হিসেবে।
হারানো জিনিস খুঁজে দেওয়া থেকে শুরু করে জরুরি মুহূর্তে রক্তদাতা খুঁজে দেওয়া, বন্যা বা দুর্যোগে সহায়তা সমন্বয় করা, স্থানীয় সমস্যার সমাধানে পরামর্শ দেওয়া, ভর্তি-চাকরির তথ্য বিনিময়ে সহায়তা করা — এমন অসংখ্য ছোট-বড় প্রয়োজনে গ্রুপের সদস্যরা একে অপরের পাশে দাঁড়ান। দেশে ও প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা নেত্রকোণার মানুষদের একসূত্রে বেঁধে রাখাই এই কমিউনিটির মূল শক্তি।
এই ওয়েবসাইটটিও সেই একই চেতনার সম্প্রসারণ — জেলার তথ্য এক জায়গায় গুছিয়ে রাখার একটি প্রচেষ্টা, যাতে প্রয়োজনের সময় মানুষ দ্রুত সঠিক তথ্য পান।
গ্রুপে যেভাবে সহযোগিতা হয়
- জরুরি রক্তদাতা খুঁজে দেওয়া
- হারানো-প্রাপ্তি সংক্রান্ত পোস্ট আদান-প্রদান
- দুর্যোগ ও বন্যায় স্থানীয় সহায়তা সমন্বয়
- প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য আদান-প্রদান
- স্থানীয় ব্যবসা, চাকরি ও ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়
- প্রবাসী ও দূরের বাসিন্দাদের সঙ্গে জেলার সংযোগ ধরে রাখা